ডিজিটাল মার্কেটিং কি? কিভাবে শিখবো ডিজিটাল মার্কেটিং?

ডিজিটাল মার্কেটিং – বর্তমান সময়ের আলোচিত এবং বহুল ব্যবহৃত একটি পদ্ধতি। ক্ষুদ্র ব্যবসা থেকে শুরু করে বড় বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এমনকি পার্সোনাল ব্র্যান্ডিং করার ক্ষেত্রেও ডিজিটাল মার্কেটিং এর ব্যবহার বর্তমানে ব্যপক। এক কথায় বলতে গেলে এই নেট দুনিয়ায় ডিজিটাল মার্কেটিং বর্তমানে ব্যপক সাড়া ফেলেছে। 

ডিজিটাল মার্কেটিং কি  এ ব্যাপারে নিশ্চই মনে প্রশ্ন জেগেছে । চলুন তাহলে দেখে নিই ডিজিটাল মার্কেটিং এর খুঁটিনাটি । 

ধরুন আপনার একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আছে। এখন আপনি চাচ্ছেন অনলাইনের মাধ্যমে আপনার ব্যবসাকে আরো বেশি মানুষের কাছে পৌছে দিতে। যাতে করে আপনি আরো বেশি করে আপনার ব্যবসার প্রসার ঘটাতে পারেন । 

তো ব্যবসার প্রসার কেনো ঘটাবেন? কেনো বেশি মানুষের কাছে পৌছে দিতে চান আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে?সত্য হল এটাই যে আপনি ব্যবসা প্রসারের  মাধ্যমে বিক্রয় বৃদ্ধি করে সার্বাধিক মুনাফা অর্জন করতে চান। তো এই যে আপনি যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অনলাইনে আপনার ব্যবসায়িক কার্যকলাপ সম্পাদন করবেন সেটিই হচ্ছে ডিজিটাল মার্কেটিং।

চলুন দেখে নিই এ ব্যপারে উইকিপিডিয়া কি বলে –  ডিজিটাল বিপণন বলতে ইলেকট্রনিক যন্ত্র বা মাধ্যম ব্যবহার করে সম্পাদিত বিপণন কে বোঝায়।

ডিজিটাল মার্কেটিং কেনো করবেন?

হ্যাঁ, কেনো করবেন? কেউ বললো আর আপনি তার সাথে নিশ্চই তাল মিলিয়ে সাথে সাথেই মার্কেটিং শুরু করে দিবেন না। এটি কিভাবে করবেন, কিভাবে শিখবেন অথবা শুরু করার আগে অবশ্যই আপনাকে জানতে হবে যে কেনো আপনি এটি করবেন। পাঠক তাহলে চলুন দেখে নিই কেনো আপনি ডিজিটাল মার্কেটিং করবেন, কি হতে পারে এর কারণ।

আমি যে ব্যপারে প্রথমেই ফোকাস করবো সেটি হচ্ছে গ্রাহকের সহজলভ্যতা। হ্যাঁ, গ্রাহকের সহজলভ্যতা।বর্তমানে প্রযুক্তির ছোঁয়ায় সবকিছু এখন মানুষের হাতের মুঠোয়। 

কেননা যতই দিন যাচ্ছে মানুষ ততই অনলাইন নির্ভর হয়ে পড়ছে। ততই অনলাইনে তাদের কার্যক্রম বাড়ছে। তাহলে ব্যপারটা কি দাঁড়াচ্ছে? হ্যাঁ, ঠিক ধরেছেন, গ্রাহকরা দিনে দিনে ডিজিটালাইজড হচ্ছে ব্যপকভাবে। অন্যদের কথা বাদ দিলাম, আপনি যদি ঘরে বসেই সার্ভিস পেয়ে যান তাহলে সেটির জন্য কেনো বাইরে যাবেন, বলুন? আশা করি উত্তরটা পেয়ে গেছেন। 

কাজেই আপনি যদি বিপুল পরিমাণ মানুষের কাছে আপনার পণ্য বা সেবা পৌছে দিতে চান তাহলে আপনার ব্যবসার জন্য ডিজিটাল মার্কেটিং অবশ্যই প্রয়োজন।

আপনার চারপাশ ভালো করে খেয়াল করে দেখুন। এই কয়েকদিন আগেও উবার কিংবা পাঠাও এর মতো সার্ভিস যে কেউ নিয়ে আসবে সেটা কয়জনই ভেবেছিলো? বর্তমানে তাদের গ্রাহকরা তাদের এপ্স ব্যবহার করে অনলাইনের মাধ্যমে সহজেই সেবা নিতে পারছে।

এক্ষেত্রে আরেকটি উদাহরণ না দিলেই নয় সেটি হচ্ছে ফুড আইটেমের হোম ডেলিভারি। বর্তমানে বাংলাদেশে যদিও এটি ব্যপক পরিমাণে বিস্তার লাভ করে নি। কিন্তু আমরা যদি কয়েক বছর পিছনে ফিরে তাকাই তাহলে দেখতে পাবো আগে ফুড আইটেম নিয়ে হোম ডেলিভারি দেয়ার মত তেমন প্রতিষ্ঠানই ছিলো না।

বর্তমানে ফুডপান্ডা বেশ ভালোই কাজ করে যাচ্ছে। তারা ধীরে ধীরে স্থানীয়ভাবে তাদের কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে।  এছাড়াও স্থানীয় অনেকেই আছেন যারা এফ-কমার্স ব্যবহার করে স্থানীয়ভাবে ফুড আইটেম বিক্রি করে যাচ্ছেন। স্থানীয়ভাবে কাজ করলে সুবিধাটা আপনারই হবে প্রাথমিকভাবে। 

কিভাবে হবে সেটা বলছি। 

ব্যবসা চালাতে গেলে ফেস ভ্যালুরও একটি ব্যপার আছে। স্থানীয়ভাবে আপনার সম্পর্কে আপনার এলাকার লোকজনই ভালো ধারণা পোষণ করে থাকে। তাই স্থনীয়ভাবে যদি ঠিকঠাকভাবে প্ল্যান করে আপনি ব্যাটে বলে লাগাতে পারেন তাহলে হিউজ পরিমান কাস্টমার আপনি পেয়ে যাবেন। আর জানেনই তো ব্যবসার ক্ষেত্রে একটি কথা আছে – কাস্টমার হচ্ছে ব্যবসায়ের লক্ষী। হেহেহে। 

পাঠক – তাহলে নিশ্চই বুঝতে পারছেন ডিজিটাল মার্কেটিং আপনার কেনো করা উচিত। এখানে আমি ফুড আইটেমের কথা উল্লেখ করেছি বলে আপনাকেও যে এটি নিয়েই কাজ করতে হবে এমন কোন কথা নেই। কাজ করার আগে অবশ্যই আপনাকে একটি নিশ সিলেক্ট করতে হবে। ( নিশ এর ব্যপারে অন্য আর্টিকেলে আলোচনা করবো )। তারপর আপনি আপনার নিশ নিয়ে কাজ করবেন আপনার প্ল্যান অনুযায়ী।

কিভাবে ডিজিটাল মার্কেটিং শিখবেন? 

ক্কোনো কিছু শিখতে গেলেই আমরা হন্য হয়ে কোর্সের দিকে ঝাপিয়ে পড়ি। অনেকেই যাচাই বাছাই না করেই কোর্সের পিছনে অনেক টাকা খরচ করে থাকেন। কিন্তু ফলাফল হয় শূণ্য।

তাই আপনার যদি ডিজিটাল মার্কেটিং নিয়ে আগ্রহ থাকে, আপনি যদি শিখতে চান তাহলে আমি সাজেস্ট করবো আগে অনলাইনে কিছুদিন ঘাটাঘাটি করুন। তাহলে এটি সম্পর্কে প্রাথমিকভাবে আপনি একটি স্পষ্ট ধারণা পেয়ে যাবেন। ঠিক এই কথাটাই আমি আমার এক ছোট ভাইকে বলেছিলাম। তারপর সে কিছুদিন ঘাটাঘাটি করে একদিন আমার কাছে আসলো।

বললো ভাইয়া, ডিজিটাল মার্কেটিং এর তো অনেক শাখা আছে। কিন্তু কিভাবে কি করবো কিছুই তো বুঝতে পারছি না। তো তাকে বললাম,  ডিজিটাল মার্কেটিং এর প্রকারভেদ কি কি আগে সেগুলো বলো তারপর বলছি কিভাবে কি করবে, কিভাবে ডিজিটাল মার্কেটিং শিখবে সেসব । তার উত্তরটা – ভাইয়া আসলে ডিজিটাল মার্কেটিং অনেক বড় একটা সেক্টর।আমি ঘাটাঘাটি করে সে প্রকারভেদগুলো পেয়েছি সেগুলো হল – 

১. SEO

২. Social Media Marketing 

৩. Inbound Marketing

৪. Email Marketing 

৫. Search Engine Marketing

6. Pinterest Marketing

7. Reddit Marketing

8. Video Marketing

9. SMS Marketing

10. Content Marketing

11. Viral Marketing

12. Affiliate Marketing

13. PPC ( Pay Per Click )

14. Radio Advertising

15. Television Advertising

16. Magazine / Newspaper Advertising

17. Growth Hacking Marketing. 

ভাই আর তো কিছু মনে পড়ছে না । 

  • বললাম, থাক একটু না বেশ অনেকেটাই ধারণা নিয়েছিস । তো এই যে শাখাগুলো আছে এর প্রত্যেকটা দিয়েই কিন্তু কাজ করা যায়। এর মাঝেও একটি কিন্তু আছে। 
  • সেটি কি ভাইয়া?
  • সেটি হচ্ছে কাজ শুরু  করার আগে জানতে হবে যে কোন সেক্টরটিতে আমি সুইটেবল। যেটাতে আমি কমফোর্টেবল ফিল করবো সেটি নিয়েই আগাবো । আমরা যদি মার্কেটপ্লেসে তাকাই তাহলে দেখতে পাবো কেউ একটি সার্ভিস দিচ্ছে আবার কেউ একাধিক ডিজিটাল মার্কেটিং সার্ভিস দিচ্ছে। তারা কিন্তু রাতারাতি এসব শিখে নি। সময় নিয়ে ধীরে ধীরে নিজেকে এক বা একাধিক সেক্টরে দক্ষ করে তুলেছে। 
  •  ভাইয়া, সে তো বুঝলাম, কিন্তু আমি শিখবো কিভাবে?
  • হ্যাঁ, কিভাবে শিখবে, বলছি। প্রথমেই আগে দেখে নিতে হবে আমার কমফোর্টেবল জায়গা কোনটি। তারপর সেটি নিয়ে শুরু করতে হবে রিসার্চ।আমি যেটাতে কমফোর্টেবল ফিল করবো সেটি নিয়ে কাজ করতেও আমার ভালো লাগবে, বোরিং লাগবে না। কিন্তু আমি যদি এমন এক সেক্টর সিলেক্ট করি যেটা নিয়ে আমার কোনো আগ্রহ নেই তাহলে একসময় মুখ থুবড়ে পড়তে হবে। তাই সবার আগে যেটা প্রয়োজন সেটা হচ্ছে নিজের আগ্রহের বিষয়টি খুঁজে বের করা।
  • রিসার্চ করবো নিজের আগ্রহের বিষয় নিয়ে? 
  • হ্যাঁ, রিসার্চ। ধরে নিলাম তোর পছন্দের সেক্টর হচ্ছে এসইও। এখন তুই চাচ্ছিস যে এসইও নিয়ে কাজ করবি। কিন্তু কাজ করতে গেলে আগে কাজ শিখতে হবে। কিন্তু শিখবি কিভাবে? 

শিখার ক্ষেত্রে তিনটি ফর্মুলা কাজে লাগাতে পারিস। 

গুগলের সাহায্যে বিভিন্ন ব্লগ থেকে

১. গুগলের সাহায্যে বিভিন্ন ব্লগ থেকে – কথায় আছে গুগলে পাওয়া যায় না এমন কোনো তথ্য নেই । যেকোনো কিছু একটা লিখে দিলেই গুগল ঐ সংক্রান্ত তথ্য আপনার সামনে নিমিষের ভিতরেই উপস্থাপন করবে। কাজেই অনলাইনের এই মার্কেটিং প্রসেস শিখতে গেলে গুগল হতে পারে জ্ঞানার্জনের অন্যতম উৎস। বাংলা অথবা ইংরেজী উভয় মাধ্যমেই গুগল থেকে তথ্য নেয়া যেতে পারে। 

পাঠকদের সুবিধার জন্য নিচে একটি স্ক্রিনশট দিচ্ছি – 

তো এইভাবে কিছু লিখে সার্চ করলেই গুগল অনেকগুলো ব্লগ বা ওয়েবসাইটের লিংক মুহুর্তের ভেতরেই শো করাবে। সেখান থেকে বেছে বেছে আমরা ইনফরমেটিভ ব্লগ গুলো থেকে তথ্য নিয়ে রাখতে যেগুলো আমাদের শেখার ক্ষেত্রে সাহায্য করবে। ভালো হয় যদি ব্লগের লিংক গুলো বুকমার্ক করে রাখা হয়। 

ইউটিউব কিংবা বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে

২. ইউটিউব কিংবা বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে ফ্রি/পেইড অনলাইন টিউটোরিয়াল এর মাধ্যমেও শেখা যাবে । কেনো ইউটিউব কিংবা অনলাইন প্ল্যাটফর্মের কথা বললাম। কারণ 

বর্তমানে ঘরে বসেই ভালো মানের কোর্স করা সম্ভব হচ্ছে শুধু প্রযুক্তির সহায়তায়। অনেকক্ষেত্রে কোর্সগুলো থেকে সার্টিফিকেটও দেয়া হয় যা ডিজিটাল মার্কেটিং-এ ক্যারিয়ার গড়ার ক্ষেত্রে দারুণ ভূমিকা রাখবে।

অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মধ্যে Udemy, Eduonix, Alison হতে  পারে সেরা পছন্দ। এগুলো থেকে খুব সহজেই যে কেউ ফ্রি অথবা পেইড কোর্স করতে পারবে। কোর্স করার ক্ষেত্রে অবশ্য আমি কোর্সের রেটিং কেমন সেটির দিকে প্রাধান্য দিবো। কেননা কোর্স ফ্রিই হোক বা পেইড-ই হোক রেটিং যদি ভালো না হয় তাহলে সে কোর্স করে তেমন একটা সুবিধা হবে বলে মনে হয় না। 

কাজেই কোর্স এনরোল করার সময় অবশ্যই রেটিং দেখে নেয়া উচিৎ। কিন্তু একটা প্রশ্ন থেকেই যায় প্রাথমিক অবস্থায় আমি এই পেইড কোর্সগুলোতে কিভাবে এনরোল করবো? 

বিষয়টা খুবই সহজ। প্রায়শই এই প্ল্যাটফর্মগুলো তাদের পেইড কোর্সগুলো গ্রাহকদের জন্য ফ্রিতে উন্মুক্ত করে দেয়। তখন এনরোল করে রাখা যেতে পারে। অথবা ফেসবুক গ্রুপ বেশ ভালো একটা জায়গা হতে পারে পেইড কোর্সগুলোর জন্য। আমার জানা মতে অনেক গ্রুপই রয়েছে যারা নতুনদের শিখার জন্য যথেষ্ট সাহায্য করে থাকে। তাদের মাধ্যমে বিভিন্ন পেইড জিনিস পাওয়া যায় ফ্রিতেই। তাই একটু ঘাটাঘাটি করলেই এগুলো পেয়ে যাওয়া যাবে। 

এবার আসি ইউটিউবের ব্যপারে। ইউটিউবও অনেকটাই গুগলের মত। পার্থক্য হচ্ছে ইউটিউবে আপনি টিউটোরিয়ালগুলো  ভিডিও আকারে দেখতে পারবেন। 

বেসিক থেকে এডভান্স অনেক টিউটোরিয়াল পেয়ে যাবেন ইউটিউবে। নিচের ছবিটি পাঠকদের সুবিধার জন্য সংযোজন করা হল – 

এরকম বিভিন্ন জায়গা থেকে বেশ ভালো  একটা ধারণা নেয়া যেতে পারে। 

সরকার কর্তৃক প্রদত্ত দক্ষ  ট্রেইনারের মাধ্যমে

৩. সরকার কর্তৃক প্রদত্ত দক্ষ  ট্রেইনারের মাধ্যমে বিভিন্ন কোর্স করে । দেশের বিশাল যুব সমাজকে দক্ষ করার লক্ষ্যে সরকার প্রতি বছরই বিভিন্ন কোর্স করিয়ে থাকে। সেগুলো সম্পূর্ণ বিনামূল্যেই করানো হয়। প্রতি বছর অসংখ্য ছেলে মেয়ে এই কোর্সগুলো করে থাকে। অনেকেই এই কোর্সগুলো করে বর্তমানে বেশ ভালোভাবেই কাজ চালিয়ে যাচ্ছে বিভিন্ন মার্কেট প্লেসে। 

LEDP এর সাইটটি ভিজিট করুন এখান থেকে  । তাদের কোর্সগুলো দেখে নিই তাহলে – 

এখানে ৩টি ক্যাটাগরিতে ট্রেনিং দেয়া হবে। কাজেই ডিজিটাল মার্কেটিং শেখার বেশ ভালো একটি সুযোগ কিন্তু রয়েছে আমাদের হাতের  নাগালে। 

তো ভাইয়া এইবার কি  ধারণাটা ক্লিয়ার হলো? কোনো ভেজাল আছে?

  • হ্যাঁ, ভাইয়া ক্লিয়ার। কোনো ভেজাল নাই। হাহাহাহা

পাঠকদের উদ্দেশ্য কিছু কথা – যদি একান্তই আপনার ডিজিটাল মার্কেটিং শেখার ইচ্ছা থাকে তাহলে প্রথমেই যে কোনো ব্যক্তির কোর্স করার আগে অনলাইনে ঘেটে নেবেন। আর কোর্স যদি একান্তই আপনার করতে হত তাহলে সরকারি প্রতিষ্ঠান কিংবা আপনার পরিচিত কোনো এক্সপার্ট ভাইয়ের কাছ থেকে করুন। তাহলে আশা করি লাভবান হবেন।

ডিজিটাল মার্কেটিং নিয়ে আপনার চিন্তা ভাবনা কি কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। যারা ডিজিটাল মার্কেটিং নিয়ে কাজ করতে আগ্রহী তাদের মাঝে পোষ্টটি ছড়িয়ে দিতে ভুলবেন না। 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *